Showing posts with label dse. Show all posts
Showing posts with label dse. Show all posts

DSE starts the week on higher note

Share prices at the Dhaka Stock Exchange (DSE) ended flat on Sunday despite uptrend in the early trading sessions as sale pressure dominated the market in the closing hour.
 
DGEN, the benchmark general index of the Dhaka Stock Exchange (DSE) ended at 4171 points gaining 3.72 points or 0.09 percent.
 
 The All Share Price Index also advanced 5.65 points or 0.16 percent to end at 3,539.56 points while the DSE-20 index declined 15.49 points or 0.44 percent to close at 3,516 points.
Of the total issues traded 109 advanced, 129 declined and 31 remained unchanged.
 
Among the major sectors, NBFIs gained 1.53 percent, the biggest gainer, followed by Pharmaceuticals 0.25 percent and Banks 0.23 percent. Meanwhile Telecommunication advanced by 0.25 percent and Power ended flat.
 
The total turnover value at DSE stood at Tk 2.1 billion, going down slightly by 0.2 percent from the previous trading session.
 
United Airways, up 3.30 was the most traded stock of the day with a total turnover of BDT 230.6 million. 

প্রাইমারী মার্কেটেই বিনিয়োগকারীদের ভিড়

নিশ্চিত লাভের আশায় আইপিও বাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েই চলেছে। এজন্য তারা শেয়ারপ্রতি অতিরিক্ত প্রিমিয়াম দিতেও কার্পণ্য করছেন না। অপরদিকে, লোকসানের ভয়ে তালিকাভুক্ত ভালো মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানির শেয়ার দর হাতের নাগালে থাকলেও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কম।

বিনিয়োগকারীদের যুক্তি, যেহেতু আইপিওর শেয়ারে বাজারের সব স্তরের বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগ থাকে তাই এখানে লোকসান হবার সম্ভাবনা কম। হয়তো সময় লাগতে পারে, তবে মুনাফা হবেই। তাই আইপিওতে আবেদনের ক্ষেত্রে কোম্পানির মৌলভিত্তির বিষয়টি বিনিয়োগকারীরা চিন্তাই করেন না। বিনিয়োগকারীদের এ মনোভাব শেয়ারবাজারে যে কোনো ধরনের কোম্পানির তালিকাভুক্তির সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা করছেন। এ সুযোগে ভুয়া আর্থিক প্রতিবেদন দিয়েও তালিকাভুক্তির আগ্রহ প্রকাশ করে অনেক কোম্পানি।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ভালো মৌলভিত্তি সম্পন্ন অনেক শেয়ার রয়েছে যেগুলোর দর ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে। এছাড়া অনেক কোম্পানির শেয়ার রয়েছে ২০ টাকার নিচে। এসব কোম্পানির শেয়ারের চেয়ে নতুন কোম্পানির আইপিওর দিকে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেশি। অথচ নতুন কোম্পানির শেয়ার প্রিমিয়ামসহ ৪০ টাকা দরে কিনতেও আপত্তি নেই তাদের। নিশ্চিত মুনাফা করতেই বিনিয়োগকারীদের কাছে আইপিও’র শেয়ার বর্তমানে অগ্রগণ্য বলে জানান অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীরা।

সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মতে, মুলত: আইপিওর শেয়ারে লোকসানের সম্ভাবনা কম। এ কারণে প্রাইমারি বাজারে বিনিয়োগকারীদের চাহিদা সব সময় বেশি। ধসের আগেও আইপিও বাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিল অন্যরকম। তবে তখন আইপিও বাজারের পাশাপাশি সেকেন্ডারী বাজারেও শেয়ারের চাহিদা ছিল। কারণ তখন সেকেন্ডারী মার্কেটেও বিনিয়োগকারীরা ভালো মুনাফা করতে পেরেছেন।

তবে ২০১০ সালের পর বাজার পরিস্থিতি অনেক বদলে গেছে। ২০১০ সালের আগে বিনিয়োগকারীরা যে কোম্পানির শেয়ার ৪০০ টাকায় কিনতেন সেসব শেয়ার এখন ২০-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর্থিক খাতের একটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ধসের আগে বিনিয়োগকারীরা ৪৯০ টাকায় লেনদেন করেছেন। অথচ বর্তমানে এ শেয়ারটি ৩০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে।

আসছে ক্ষতিগ্রস্তদের সংশোধিত তালিকা

মার্জিন ঋণের সুদ মওকুফ সুবিধা এবং আইপিওতে কোটা সুবিধা পাওয়া বিনিয়োগকারীদের তালিকায় সংশোধন আসছে। শিগগিরই বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ওয়েবসাইটে ক্ষতিগ্রস্তদের সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, পুঁজিবাজারে ২০১০ সালের মহাধসে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের মার্জিন ঋণের সুদ মওকুফ ও আইপিওতে কোটা সুবিধা দেয়ার লক্ষ্যে গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর বিএসইসি’র ওয়েবসাইটে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োকারীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেই তালিকায় কিছু ভুল ভ্রান্তি থাকায় তা সংশোধন করে নতুন করে প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে বিএসইসি। চলতি সপ্তাহে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হবে।

সূত্র জানায়, একক এবং যৌথ হিসাবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা সংশোধন করে এবং পূর্বের তালিকায় কিছু পরিবর্তন সাপেক্ষে প্রকাশ করা হবে। তবে নতুন তালিকায় ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা বাড়া বা কমার সম্ভাবনা নেই।

যোগাযোগ করা হলে বিএসইসি’র নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান শেয়ারনিউজ২৪ডটকমকে বলেন, আগের প্রকাশিত তালিকায় কিছু ভুল ছিল। ভুলগুলো সংশোধন করা হয়েছে। আগামী রোববার অথবা সোমবার সংশোধনী প্রকাশ করা হবে। নতুন তালিকায় কোনো বিনিয়োগকারী যুক্ত হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, নতুন তালিকায় ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা বাড়ছে না। পূর্বের তালিকায় তথ্যগত কিছু ভুল ছিল সেগুলো সংশোধন করা হয়েছে।

রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে উদ্বিগ্ন হাউজ কর্মকর্তারা

বেশ কয়েকদিন ধরে চলতে থাকা রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে শেয়ারবাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিনিয়োগকারীরা ঠিকমত অংশ নিতে না পারায় হাউজগুলোতে লেনদেন কমেছে। এতে করে হাউজগুলোর আয় কিছুটা কমে যাওয়ায় কর্মরতরা উদ্বিগ্ন। কারণ কতিপয় হাউজের মালিকপক্ষ এই ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে কর্মকর্তা কর্মচারীদের চাকুরিচ্যুত করতে পারে এমন সংশয়ে রয়েছেন অনেকে।

পুঁজিবাজারে মহাধ্বসের কবলে পড়ে অনেক ব্রোকারেজ হাউজ লোকসান গুণতে না পেরে আবার অনেকে লোকসানের পরিমান কমাতে ইতিমধ্যে এক তৃতীয়াংশ কর্মী ছাটাই করেছে। তবে বেশ কয়েক মাস ধরে এমন পরিস্থিতি লক্ষ করা না গেলেও দেশের রাজনীতির চলমান পরিস্থিতি হাউজ কর্মীদের ভাবিয়ে তুলেছে।

গত কয়েকদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অনেক বিনিয়োগকারী ঘরের বাইরে বেড়ানোর সাহস পাননি। তাছাড়া রাস্তা-ঘাটে স্বাভাবিক যানবাহন চলাচল না থাকায় বিনিয়োগকারীরা তাদের গন্তব্যে যেতে পারছেন না। যার কারণে দেখা গেছে লেনদেনে নেতিবাচক প্রভাব। এ কারণে হাউজগুলোর আয় কমে গেছে।

হাউজ কর্মকর্তাদের দাবি, যেভাবে লেনদেন হচ্ছে তাতে মালিক পক্ষকে লোকসান গুণতে হচ্ছে। এমতবস্থায় লোকসানের পরিমান কমাতে কর্মী ছাটাই করা ছাড়া উপায় থাকবে না হাউজ মালিকদের। আর এ কারণে দেখা যাবে কর্মহীন হয়ে পড়ছে অনেক মানুষ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক হাউজ কর্মকর্তা বলেন, লেনদেনের যে গতি তাতে করে কর্মী ছাটাই করা ছাড়া হাউজ মালিকদের আর কোনো উপায় থাকবে না। যেখানে হাউজ টিকিয়ে রাখাই কষ্ট সেখানে কর্মী দিয়ে কি করবে। মালিকপক্ষ কর্মী ছাটাই করতে বাধ্য হবে।

বিনিয়োগকারী কবির মাহমুদ বলেন, কয়েকদিন ধরে দেশে যে অবস্থা বিরাজমান করছে তাতে করে বাইরে বেড়ানোর সাহস করতে পারি না। মনে হয় বাহিরে গেলে জীবননাশ হতে পারে। কারণ, নিজের জীবন সবার আগে।

আরেক বিনিয়োগকারী হাফিজ আহমেদ বলেন, দেশের পুঁজিবাজার এমনিতেই ক্রান্তিকাল পার করছে তার মধ্যে আবার বাসা বেধেছে রাজনৈতিক অস্থিরতা। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে বিরুপ প্রতিক্রিয়া। যেটা বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সার্বিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আজ মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হয়ছে মাত্র ১৬০ কোটি টাকা। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে লেনদেন আশংকাজনকহারে কমেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।